আল কোরআন – এর অলৌকিক সৌন্দৰ্য ও মাহাত্য

আল খাইরু কুল্লুহু ফীল কোর’আন

সকল কল্যাণ নিহিত আছে আল্ কোর’আনে  – ( ইলহাম)।


Internet-radio-one loge

হযরত ইমাম মাহদী ও মসীহ মাউদ আলাইহে ওয়াসাল্লাম তাঁর বারাহীনে আহমদীয়া পুস্তকে লিখেছেন:
“কোরআন শরীফের মধ্যে ধর্মের পরিপূর্ণতা দানের বিষয়াদি যথা তৌহিদ বা আল্লাহর একত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নের সমাধান এবং সর্বপ্রকারে শিরক বা অংশীবাদীতা উৎচ্ছাদন, এবং আধ্যাত্মিক বা রুহানি ব্যাধিসমূহের নিরাময় ব্যবস্থা, মিথ্যা ধর্ম গুলি কে প্রত্যাখ্যানের পক্ষে যুক্তি প্রমাণ, এবং সত্য মতবাদসমূহের পক্ষে প্রমাণাদি প্রভৃতি যতটা সমগ্রভাবে ও জোরালোভাবে পেশ করা হয়েছে  ততটা অপর আর কোন গ্রন্থেই করা হয়নি।”

পবিত্র কোরআনের যুগোপযোগী ব্যাখ্যা শুনতে এখানে ক্লিক করুন:
https://voiceofislambangla.com

হযরত ইমাম মাহদী ও মসীহ মাউদ আলাইহে ওয়াসাল্লাম তাঁর চশমা মারেফাত পুস্তকে লিখেছেন:

‘হে ভদ্রমহোদয়গণ! এখন আমি সেই স্বতন্ত্র চিহ্ন সমূহের কথা বর্ণনা করবো, যা কোন ইলহামি কিতাব বা কোন ঐশী গ্রন্থ কে সনাক্ত করার জন্য সুস্থ বুদ্ধি নির্ধারণ করেছে।এবং তা কেবল পাওয়া যায় খোদা তায়ালার পবিত্র গ্রন্থ কোরআন শরীফ এর মধ্যেই এবং এ যুগের উপযোগী যে সমস্ত স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ঐশী গ্রন্থের মধ্যে থাকা বাঞ্ছনীয়, তা অপরাপর গ্রন্থাবলীতে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। হতে পারে যে ওই গ্রন্থ গুলির মধ্যে ঐ সমস্ত বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী প্রথম যুগে ছিল, কিন্তু এখন আর নেই। যদিও আমরা পূর্বে উল্লেখিত এক যুক্তির কারণে, ঐগুলিকে ঐশীগ্রন্থ বলেই মনে করি, তবুও ঐশী হওয়া সত্বেও, সেগুলি বর্তমান জামানার অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে গেছে। সেই গুলি এখন সেই শাহী কেল্লার ন্যায়, যা এখন শূন্য পড়ে আছে এবং ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। এবং সম্পদ ও সামরিক শক্তি সবকিছুই সেখান থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ‘

পবিত্র কোরআনের যুগোপযোগী ব্যাখ্যা শুনতে এখানে ক্লিক করুন:

https://voiceofislambangla.com




হযরত ইমাম মাহদী ও মসীহ মাউদ আলাইহে ওয়াসাল্লাম তাঁর চশমা মারেফাত পুস্তকে লিখেছেন:

এই সত্য প্রমাণিত যে, কোরআন শরীফ ধর্মকে (দ্বীনকে) পরিপূর্ণ করার কাজ সম্পন্ন করেছে। যেমন তা নিজেই বলেছে:আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্মকে (দ্বীনকে) পরিপূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন রূপে মনোনীত করলাম। (৫:৪)

অর্থাৎ আজ আমি তোমাদের ধর্মকে তোমাদের জন্য সম্পূর্ণ করে দিলাম, এবং আমার নেয়ামতকে তোমাদের জন্য পূর্ণ করে দিলাম, এবং আমি ইসলামকে তোমাদের জন্য ধর্ম হিসেবে নির্দিষ্ট করে দিয়ে সন্তুষ্ট হলাম। অতএব, কোরআন শরীফ এর পরে আর কোন কিতাবের পা রাখার আর কোন জায়গা নেই। কেননা, মানুষের যতটা প্রয়োজন ছিল তার সবটাই কোরআন শরীফ বর্ণনা করে গিয়েছে। এখন যে ঐশী কালাম বা ওহী-ইলহাম এর দরজা খোলা তা আপনা-আপনি নয়। বরং সত্য এবং পবিত্র কলাম সমূহ যা স্বাভাবিকভাবে এবং সুস্পষ্ট ভাবে ঐশী সাহায্যে পুষ্ট এবং নানাবিধ গোপন তথ্য সমৃদ্ধ, তা আত্মার পবিত্রতার পরেই লাভ করা যায়, এবং এইরূপ আত্মার পবিত্রতা অর্জন সম্ভব একমাত্র কোরআন শরীফ এবং ৺আ হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম এর আনুগত্যের মাধ্যমেই।’

পবিত্র কোরআনের যুগোপযোগী ব্যাখ্যা শুনতে এখানে ক্লিক করুন:

হযরত ইমাম মাহদী ও মসীহ মাউদ আলাইহে ওয়াসাল্লাম তাঁর বরাহীন এ আহমদিয়া পুস্তকে লিখেছেন:

‘কোরআন শরীফ হচ্ছে সেই গ্রন্থ যা তার নিজের মাহাত্ম্য, নিজের জ্ঞান, প্রজ্ঞা, নিজের সত্যতা, নিজের রচনাশৈলীর সৌন্দর্য, শব্দচয়নের স্টাইল এবং নিজের আধ্যাত্বিক আলোরাশি সম্পর্কে নিজেই দাবি করেছে এবং সেইসঙ্গে নিজের তুলনা বিহীন হওয়ার কথা ও নিজেই প্রকাশিত করেছে। এ কথা কখনোই ঠিক নয় যে, কেবল মুসলমানরাই শুধু তাদের ধারণার বশবর্তী হয়ে, এই কিতাবের গুণাবলীর কথা, ঔৎকর্ষের কথা প্রকাশ করেছে। বরং, এই কেতাব স্বয়ং তার নিজের উৎকর্ষতার কথা, পূর্ণতার কথা, সৌন্দর্য্যের কথা প্রকাশ করে দিয়েছে।এবং সে তার অনন্যসাধারণ হওয়ার অতুলনীয় হওয়ায় কথা সারা সৃষ্টির মোকাবেলায় পেশ করে চলেছে। এবং বুলন্দ আওয়াজ এ ঘোষণা দিচ্ছে: আছে কি কোথাও কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী? এর সূক্ষ্ম তথ্যাবলী ও সততা মাত্র দুটো তিনটে এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। হলে, অজ্ঞ বা নাদান ব্যক্তিরা এ ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করতে পারত। বরং এর সূক্ষ্ম তথ্যাবলী তো উত্তাল সমুদ্রের নে উদ্বেলিত এবং এ হচ্ছে তারা ভরা আকাশের ন্যায়, যে দিকেই তাকাও না কেন সে দিকেই জ্যোতির বিচ্ছুরণ দেখতে পাবে। এমন কোনো সত্যতা নেই যা তার বাইরে আছে, এমন কোন জ্ঞান, নেই হিকমত নেই যা এর সর্বব্যাপী বর্ণনার অভ্যন্তরে নেই। এমন কোন নূর বা আলো নেই যা এর সর্বব্যাপী বর্ণনার অভ্যন্তরে নেই। এমন কোন নূর বা আলো নেই যা এর আনুগত্য করে লাভ করা যায় না। এবং এসব কোন কথার কথা নয়, অপ্রমাণিত নয়। এমন কোন বিষয় নেই যা শুধু মুখের কথাতেই সীমাবদ্ধ। বরং তা সবই যাচাইকৃত এবং এবং তার সত্যতা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। কেননা, তা সবই বিগত তের শ’ বছর ধরে আপন জ্যোতির্মালা ক্রমাগতভাবে প্রকাশিত করে চলেছে। আমরাও তার সততার কথা এভাবে বিশদভাবে বর্ণনা করেছি। আমরা কোরানের সূক্ষ্ম শর্তাবলী এবং মারেফাতকে এমন ভাবে বর্ণনা করে দিয়েছি যে, যেকোনো সত্যান্বেষী কে সন্তুষ্টি ও প্রশান্তি দান করার জন্য মহাসমুদ্রের ন্যায় তরঙ্গে তরঙ্গে উদ্বেল হয়ে উঠছে।’

পবিত্র কোরআনের যুগোপযোগী ব্যাখ্যা শুনতে এখানে ক্লিক করুন:

Internet-radio-one loge

https://voiceofislambangla.com